অনুসন্ধান

মূল উৎপত্তি

জুলাই ৭, ২০১৭ তারিখের দিকে এই পোস্টটি ফেইসবুকে প্রচার হওয়া শুরু হয়। যা Abu Tayeb নামক একজন ফেইসবুক ইউজার নিজ প্রোফাইল থেকে পোস্ট করলে প্রায় ১১ হাজারের উপর শেয়ার হয়।

গরুর মাংস বহনের জন্য এই হত্যা করা হয়েছে দাবী করা হলেও ছবিগুলো ২০১৫ সালে ভারতের ‘নাগাল্যান্ড’-এর ‘দিমাপুর’ শহরের একটি ঘটনার।[1] ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে পুলিশ ফরিদ খান নামক একজন ব্যবসায়ীকে তার সহযোগীসহ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ সালে গ্রেফতার করে।[2]

মার্চ  ৪ তারিখে গনধর্ষণের একটি কেইসের উপর বিবিসির প্রচারিত ‘India’s Daughter’ নামক একটি ডকুমেন্টারি প্রচার করে। যার প্রেক্ষিতে সারা ভারতে ‘ধর্ষণ’ নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।[3]

এই উত্তেজনাপূর্ণ সময়, মার্চ ৫ তারিখে, আবেগ তাড়িতে হয়ে প্রায় ৭-৮ হাজার মানুষ জড়ো হয়ে ‘নাগাল্যান্ড কেন্দ্রীয় জেলখানা’ থেকে ফরিদ খানকে বের করে আনে এবং প্রকাশ্যে বিবস্ত্র করে হত্যা করে। গ্রেফতারের প্রাথমিক পর্যায় ফরিদকে বাংলাদেশ থেকে আগত অবৈধ অভিবাসী মনে করা হলেও পরবর্তীতে তার আসল পরিচয় পাওয়া যায় ভারতের আসাম বাসী হিসেবে।

পরবর্তীতে মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণের অভিযোগটি নিশ্চিত করা যায় নি। এই ঘটনার পর আক্রমণের আশঙ্কায় প্রায় ৪ হাজার বাঙালি মুসলিম নাগাল্যান্ড ছেড়ে চলে যায়।[9]

পাদটীকা

তথ্যসূত্র

  1. "2015 Dimapur mob lynching". Wikipedia.
  2. "India's Daughter". Wikipedia.
  3. "Mob breaks into Indian prison, drags out rapist and beats him to death". Daily Mail. (মার্চ ৫, ২০১৫).
  4. Nida Najar. "Accused Rapist Is Dragged From His Jail Cell in India and Killed". The New York Times. (মার্চ ৬, ২০১৫).
  5. "Angry Indians lynch rape suspect after breaking into jail". BBC News. (মার্চ ৫, ২০১৫).
  6. "Mob drags out rape accused from Dimapur jail, thrashes him to death". India Today. (মার্চ ৫, ২০১৫).
  7. "Indian jail warden suspended after rape suspect lynched". The Guardian. (মার্চ ৭, ২০১৫).
  8. Sam Rkaina. "Shocking pictures of mob that broke into prison and dragged away alleged rapist and lynch him". The Mirror. (মার্চ ৬, ২০১৫).
  9. Rahul Karmakar. "21 from Dimapur lynch mob held; 4,000 Bengali Muslims leave Nagaland". Hindustan Times. (মার্চ ৯, ২০১৫).

মন্তব্য

আমাদের ফেসবুকগ্রুপে আলোচনায় যুক্ত হোন।: www.facebook.com/groups/jaachai